শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আল আজম হাই স্কুল এন্ড কলেজের রজতজয়ন্তী এবং পূনর্মিলনী উদযাপনের লক্ষ্যে কার্যকরী কমিটি গঠন।

বিশ্বনাথ,২৮ ফেব্রুয়ারি,২০২০,শুক্রবার,রাত ৮:০০:: আজম হাই স্কুল এন্ড কলেজের রজতজয়ন্তী এবং পূনর্মিলনী ২০২০ এর উদযাপনের লক্ষ্যেকার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে।আজ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় সিলেট জর্জকোর্টের ক্যাফেটেরিয়ায় সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব বশির আহমদের সভাপতিত্বে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্টিত হয়।উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জনাব বশির আহমদকে প্রধান সমন্নয়ক এবং জনাব মো: রাজুকে আহবায়ক করে কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়।এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জজকোর্টের সহকারী পিপি ৪ নং রামপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব এডভোকেট মোহাম্মাদ আলমগীর,রশিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার জনাব মঈনুল ইসলাম সহ আরো অনেকে। যুগ্ম আহবায়ক করা হয় জনাব সালেহ আহমেদ এবং মোহাম্মদ আলমগীরকে।সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন জনাব তানজিদ আহমেদ।উক্ত কার্যকরী কমিটির নির্বাহি সদস্যগন হচ্ছেন সুহেল আহমেদ মুন্না,মুহিবুর রহমান,জহিরুল ইসলাম,সালেহ আহমেদ,ফয়ছল আহমেদ,মোহাম্মদ জাকারিয়া(১),কবির আহমেদ,কাউছার আহমেদ,আনিসুর রহমান শাওন,মো: জাকারিয়া(২),ডা: মঞ্জুরুল ইসলাম সৌরভ।

রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আল আজম হাই স্কুল এন্ড কলেজের ২৫ বছর পূর্তিতে রজতজয়ন্তী পালনের লক্ষ্যে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত।

বিশ্বনাথ উপজেলার আল-আজম স্কুল এন্ড কলেজের ২৫ বছর পূর্তিতে রজতজয়ন্তী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ ও পরবর্তী পরামর্শ সভা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব বশির আহমেদ স্যাররের বাসায়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক জনাব বশির আহমেদ স্যার,সেরেস্তাদার (অফিস সুপার) জনাব মোঃ আতাউর রহমান,৪নং রামপাশা ইউনিয়নের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান এডঃ জনাব মোঃ আলমগীর, সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব নানু মিয়া, এনবিআর কর্মকর্তা জনাব মোঃ রাজু মিয়া ঢাকা দক্ষিণ স্কুল এন্ড কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ সালেহ আহমেদ, অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার জনাব তানজিদ আহমেদ।উক্ত সভায় আগামী ২৮/০২/২০২০ শুক্রবার বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় সিলেট জর্জকোট ক্যাফেটোরিয়ায় এক সভার আয়োজন হবে বলে জানানো হয়েছে।এতে সকলের অংশগ্রহনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

২৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট জেলা প্রাথমিক নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষকদের মানববন্ধন।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ এর সিলেট জেলার দ্রুত যোগদান ও পদায়ন এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে বেতন ভাতা কার্যকরের দাবিতে এক শান্তিপূর্ন মানববন্ধনের আয়োজন করবেন সিলেট জেলা প্রাথমিক নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষকগণ। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি রোজ মঙ্গল সিলেট প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে সকাল ১০ ঘটিকার সময় মানববন্ধন অনুষ্টিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষকরা।পরে জেলা প্রশাসক এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করবেন।উল্লেখ্য গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পুর্বের নোটিশ অনুযায়ী যোগদানের কথা ছিল।কিন্তু সেদিন কিছু শিক্ষক যোগদানের অনুমোদন পাওয়ার পর হাইকোর্টের নির্দেশে সকল নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে যোগদান এবং পদায়নের দাবিতে শিক্ষকরা মানববন্ধনের ডাক দিয়েছেন।এতে নিয়োগ বঞ্চিত সকল শিক্ষকগনকে উক্ত মানববন্ধনকে সফল করার জন্য আহবান করা হয়েছে।

সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

নীরব কান্না,চাপা কষ্ট,হতাশা-দুর্দশা এবং অপেক্ষায় দিন কাটছে প্রাথমিক শিক্ষকদের।

বিষাদে ছুয়েছে আজ, মন ভালো নেই,মহাদেব সাহার সেই উক্তিটা আজ হাড়ে হাড়ে অনুভব করছেন ২০১৮ সালে রাজস্বখাতে নিয়োগ প্রাপ্ত ৪৩ জেলার চুড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ।সুপারিপ্রাপ্ত হয়ে সঠিক সময়ে নিয়োগ না পাওয়ায় হতাশা,দুর্দশা,নির্ঘুম এবং হিনমন্যতায় দিনরাত পার করছেন সেই সব জেলার শিক্ষকগণ। পুর্বের নোটিশ অনুযায়ী ১৬ তারিখ যোগদানের আশায় অনেক শিক্ষক আগের চাকরি ছেড়ে নিজ বাড়িতে চলে আসেন।অনেকের উপর সারা পরিবারের ভরণপোষন নির্ভর করে।চাকরি ছেড়ে দেওয়ায় অনেক পরিবারে নেমে এসেছে টাকার টানাপোড়ন,অনেকে টাকার অভাবে বাবা মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না।অপর দিকে ১৬ তারিখে নিয়োগ না পাওয়ায় পাড়া প্রতিবেশির অনেক কটু কথা শুনতে হচ্ছে অনেককে।ভুগতেছেন হিনমন্যতায়।কাউকে কিছু বলতে পারছেন না,শুধু নিরবে নিভৃতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।অনেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইবুকে হতাশার কথা বলতেছেন।ওলাউর রহমান নামের এক সুপারিপ্রাপ্ত শিক্ষক ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে লিখেন,উনি পরিবারের উপার্জনকারী একমাত্র ব্যক্তি, উনার বাবার ৮০% হার্ট ব্লক,মা টিউমারে আক্রান্ত,এমতাবস্থায় উনি খুব চিন্তায় এবং অসহায় হয়ে পড়ছেন।আহমেদ কাজল নামের আরেক শিক্ষক লিখেন,চাকরি ছেড়ে হাত খালি,মায়ের চিকিৎসার জন্য টেস্ট করাতে হবে,কিন্তু মা টেস্ট করাতে মানা করতেছেন,আগে নাকি আমার মেডিকেল টেস্ট করব,চোখের পানি আটকিয়ে রাখতে পারছি না।
কবে শেষ হবে মেধাবীদের নিরব কান্না।কবে হতাশা দুর্দশা থেকে বের হবেন সেই সব সুপারিপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ।কি দোষ তাদের।মেধার মাধ্যমে টিকে কেন আজ এত দুশ্চিনায় দিনরাত কাটাতে হচ্ছে।কে শুনবে এই নিরব কান্না।সবার একটায় আশা সকল কালো ধোয়াশা একদিন আলোর মুখ দেখবে।পরিবার পরিজনের মুখে একটু হাসি দেখবেন।শীগ্রই যেন মহান রাব্বুল আলামিন সবার দু:খ মোচন করে দেন-আমিন।

অধিদপ্তর রীটকারীদের ব্যাপারে খুব বিরক্ত।মন্ত্রণালয় অসন্তোষ-প্রাথমিক পরিচালক মো: নুরুল আমিন।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক রাজস্বখাত ২০১৮ সালের নিয়োগের মৌলভীবাজারে আজকে অরিয়েন্টেশন হয়েছে।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মানিত পরিচালক খান মোঃ নুরুল আমিন স্যার এবং গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব সত্যকাম সেন স্যার উপস্থিত ছিলেন।অরিয়েন্টেশনে বক্তব্য প্রধানকালে সম্মানিত পরিচালক মো: নুরুল আমিন বলেন,অধিদফতর এবং সরকার রীটকারীদের কার্যক্রমে খুব বিরক্ত।মন্ত্রনালয় এগুলোর অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছে।তিনি আরো বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্থগিতাদেশ স্থগিত করা হবে।এ জন্য আমরা আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছি। তিনি আরো বলেন,অধিদপ্তর আপ্রাণ চেষ্টা করেছে সবার অরিয়েন্টেশন এক সাথে করার। যে জেলা গুলোতে হয় নি সেগুলো সম্ভবত এক সাথে বা পর্যায়ক্রমে অরিয়েন্টেশন করা হবে।তিনি আরো যোগ করেন,রিট নিয়ে যা ইচ্ছা করে ফেলতে পারেন। সরকার কেয়ার করছে না।আইনজীবীদের টাকা বেশি থাকলে দিতে পারেন,সমস্যা নাই। সরকার ১৮১৪৭ জনকে পদায়ন করবেই। সেটা আগে হোক আর পরে হোক।

রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

স্বপ্ন ভাঙ্গার দিনে,সারা জীবনের আশির্বাদ দিয়ে বলছি,আপনারা কোনদিন সুখি হতে পারবেন না।

আজ পূর্বের নোটিশ অনুযায়ী আমরা সবাই ডিপিও অফিসে যাই যোগদান করতে।সকালে যখন অফিসে যাওয়ার জন্য গাড়িতে উঠি কেন যেন আমার কাছে কার রেস এর মত লাগছে।বার বার সাত্তার স্যারের পোস্ট মনে পড়ছিল।আমাকে ওদের আগে যেতেই হবে।গেলাম সবকিছু টিক ছিল।১০ টায় জমা নেওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে ১০ টায় কার্যক্রম শুরু হয়।সবাই সবার কাগজপত্র টিক করতে ব্যস্ত।পাওয়া তথ্যে ১০০+ শিক্ষক যোগদান পত্র অনুমোদন করেছেন।পরে হঠাৎ আওয়াজ আসল স্থগিত।পরে কর্মকর্তারা বললেন একটা ইমেল আসছে স্থগিতাদেশ এর তাই আমরা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছি।আপনারা ১ ঘন্টা বাইরে অপেক্ষা করুন।আমরা সবাই কিছুটা হইচই শুরু করলাম।কিছুটা প্রতিবাদি।কিছু কর্মসূচি ও দেওয়া হয়।অনেক সময় চলে গেলেও ভিতর থেকে কোন খবর আসে নাই।আমাদের দ্বায়িত্ব প্রাপ্তরা ভিতরে ঢুকে স্যারের সাথে কথা বলেন।কিছুটা রাগ আর ক্ষোভ ও দেখান।কিন্তু ডিপিও স্যার আইনের মার পেচ দেখিয়ে কোন আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ মর্মে নোটিশ তৈরি করেন।আমাদের শিক্ষকদের আরো ক্ষোভ এবং রাগ বাড়তে থাকে।বারবার স্লোগানে মুখরিত হয় অফিস প্রাঙ্গন।পরে ডিপিও স্যার কিছু পুলিশ আনেন। যাতে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।দীর্ঘ জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিকাল ৪টায় অফিসিয়ালি নোটিশ দেন পরবর্তি ঘোষনা না আসা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম বন্ধ।তীরে এসে তরী ডুবে যায়।সবাই হতাশাগ্রস্থ এবং নিরাশ হয়ে বাড়ির পানে ফিরে যায়।জানি না কে কাকে কি বলে বুঝ দিতেছেন।হয়তবা অভিনয় করে ভালো থাকতেছেন।কাউকে কিছু বলতে পারতেছেন না।আর সবকিছু সহ্যের বাইরেও চলে যাচ্ছে।যেখানে সব কিছু স্বপ্নের মত হওয়ার কথা সেখানে দু:স্বপ্নের একটা দিন গেল।আমরা মনে প্রানে বিশ্বাস করি,কাউকে কষ্ট দিয়ে কেউ কোন দিন সুখি হতে পারে না।আপনারা পারবেন তোহ????আপনারা যে স্বপ্ন ভাঙ্গার উৎসবে মেতেছেন,যেদিন আপনাদের স্বপ্ন ভাঙ্গবে বুঝবেন।স্বপ্ন ভাঙ্গা কি জিনিস।সারা জীবনের আশির্বাদ দিয়ে বলছি,আপনারা কোন দিন ভালো থাকবেন না। সিলেট থেকে, মো:রেনু মিয়া

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

শ্বাসরুদ্ধকর খেলায় এস,আর ক্রিকেট ক্লাবকে ১ রানে হারিয়ে ফাইনালে জননী ক্রিকেট ক্লাব

বিশ্বনাথ রামপাশা ইউনিয়ন ক্রিকেট এসোসিয়েন কর্তৃক আয়োজিত রামপাশা ইউনিয়নের ক্রিকেট লীগ ২০২০ আসরের ২য় সেমিফাইনালে নাটকে ঠাসা খেলায় এস,আর ক্রিকেট ক্লাবকে ১ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে জননী ক্রিকেট ক্লাব।টসে জয় লাভ করে জননী অধিনায়ক মুস্তাফিজুর রহমান কিনু প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আহাদের অর্ধ শতক,রাজন এবং কামরানের মাঝারি ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান করে জননী ক্রিকেট ক্লাব।পাঁচটি চার এবং চারটি ছয়ের মারে ৩৪ বলে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন আহাদ। ২১ বলে ২৩ রান করেন রাজন,শেষের দিকে ১৪ বলে ২১ রানের ছোট ক্যামিও ইনিংস খেলেন কামরান।এস,আর ক্রিকেট ক্লাব সাকিব ৪ ওভার বলে করে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন।১৫৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান কানন এবং মাহবুব ভালো সুচনা করেন।দলীয় ২৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় এস,আর ক্রিকেট ক্লাব।দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অভিজ্ঞ কানন এবং সাইফুল ৫২ রানের পার্টনারশিপ দেন।সাইফুল দলীয় ৯০ রানে ২৭ বলে ১৪ রানে আউট হলে খেলায় ফিরে আসে জননী ক্রিকেট ক্লাব।কানন চারটি ছয় এবং পাঁচটি চারে ৬৩ রান করে রিটায়ার্ড হার্টে চলে যান।ব্যাটিয়ে আসেন হার্ড হিটার দিলাল এবং মারুফ সমীকরণ দাঁড়ায় শেষ দুই ওভারে ৩৩ রান দরকার।১৯ তম ওভার করতে আসেন রাজন।রাজনের ওভার থেকে মারুফ নেন ১৭ রান।শেষ ওভারে এস,আর এর জন্য দরকার ১৬!!! বোলিং এ শিবলু।ব্যাটিং এ দিলাল।প্রথম বলে ছক্কা।৫বলে দরকার ১০ রান।স্নায়ু চাপে সবাই।পরের বলে ১ রান।২০ তম ওভারে চতূর্থ বলে দিলালের ছক্কা।১ বলে জিততে দরকার ২ রান।টান টান উত্তেজনা। কিন্তু দিলাল শেষ বলে কোন রান নিতে পারেন নি।ফলে শ্বাসরুদ্ধকর খেলায় ১ উইকেটে জিতে যায় জননী ক্রিকেট ক্লাব।১১ বলে ২৪ রান করেন মারুফ।১৪ বলে ১৭ রান করেন দিলাল।৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেন অধিনায়ক কিনু।৩৪ বলে ৫৪ রানের ঝকঝকে ইনিংসের জন্য ম্যাচ সেরা হন আহাদ।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার প্রতিবন্ধিদের জায়গা সহ ঘর নির্মান পরিদর্শন করেন সিলেট জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান

 সিলেটের জেলা প্রশাসক জনাব মজিবর রহমান রামপাশা ইউনিয়নের প্রতিবন্ধীদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার জায়গা সহ গৃহ নির্মাণের কাজগুলো ...